১৯৯৪ সালের শ্রেষ্ঠ কাহিনী চিত্র হিসাবে চরাচর স্বর্ণ কমলপ্রাপ্ত। জাপান ও সুইজারল্যান্ডের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ ছবি হিসেবে পুরস্কৃত।
যারা বংশানুক্রমিক পেশা হিসেবে পাখি ধরেন এবং সেই পাখিকে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন সেই পাখি ধরাদের মধ্যে একটি বিশেষ মানুষ ও তার দৈনন্দিন পরিমণ্ডল নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামের বিম্ব এই ছবি। এই বিশেষ পাখি ধরা পেশার মানুষটি দিনের লোক দেখানো প্রথায় পাখি ধরে আর রাত্রির অন্ধকারে গোপনে পাখিগুলিকে নক্ষত্র খচিত আকাশে উড়িয়ে দেয়।যে পাখি আকাশ শিখে, সবুজ প্রকৃতি জেনে, মানুষের কৌশলের কাছে পরাজিত ও বন্দী হতে আসে, তাকে খাঁচার বন্ধ করে রাখতে বা পাখিমাংসলোলুপ মানুষের ভোজ্য হতে দিতে চায়না এই ছবির মূল চরিত্র লক্ষিন্দর বা লখা।




