তবাকাত-ই-আকবরী -খাজা নিযামউদ্দীন আহমদ

Call / WhatsApp : +91 9563646472

To purchase / enquire about the book, send a WhatsApp message or call between 11 AM and 11 PM.

Description

সুলতান নাসিরুদ্দীন কবাজাহ, সুলতান মুইযযুদ্দীনের একজন ক্রীতদাস ছিলেন এবং পরিপূর্ণ বুদ্ধি,সুবিবেচনা এবং অন্তদৃষ্টি সম্পন্ন শাসনকর্তায় পরিণত হন। তিনি সর্বপ্রকার পদ
মর্যাদায় সুলতানের খেদমত করেন এবং সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় বিষয়ে উৎকৃষ্ট
জ্ঞান লাভ করেন। সুলতান মুইযযুদ্দীন এবং খিতার সেনাবাহিনীর মধ্যে যে যুদ্ধ হয় তাহাতে উছের করদ রাজা মালিক নাসিরুদ্দীন আয়তমার শহীদ হন আর মালিক নাসিরুদ্দীন কৰাজাহ তাহার স্থলে উছে নিযুক্ত হন। তিনি সুলতান
কুতবুদ্দীনের জামাতা ছিলেন। তিনি তাহার দুই কন্যাকে বিবাহ করেন। সুলতান কুতবুদ্দীনের ইন্তেকালের পর তিনি উছ এবং মুলতান এবং সিন্ধুদেশের সকল শহর ও দুর্গ এবং তাবরিন্দাহ এবং সরসুতি পর্যন্ত কুহরাম তাহার দখলে আনয়ন করেন।আর তিনি বহুবার লাহােরের অধিকার লাভ করেন। একবার তিনি ঘনী হইতে
আগত তাজউদ্দীন ইয়েলদুযের সঙ্গে এক যুদ্ধ করেন। আর একবার ঘষনীন রাজ্যের
উযির খাজা মুইদুল মুলক সনজরীর সঙ্গে এক যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন। শেষ পর্যন্ত তিনি যখন সিন্ধুর শাসনকর্তা হন তখন খুরাসান-এর ঘুর এবং ঘনীনের বহু খ্যাতনামা ব্যক্তি চেঙ্গিস খান কতৃক পরাজিত হইয়া তাহার চাকুরীতে প্রবেশ করেন ; আর তিনি তাহাদের প্রত্যেককেই অনুগ্রহ প্রদর্শন ও উপহার প্রদান করেন।অঃ হিঃ ৬২১ সনে মুঘলগণ আগমন করে এবং চল্লিশ দিন ধরিয়া মুলতান শহর অবরোধ করিয়া রাখে। সুলতান নাসিরুদ্দীন এই সময়ে তাহার কোষাগারের দ্বার উন্মুক্ত করিয়া দেন এবং লোকদের পুরস্কার ও অনুগ্রহ দ্বারা পালন করেন ও উৎসাহ দান করেন আর মহা শৌর্যবীর্য প্রদর্শন করেন।

Be the first to review “তবাকাত-ই-আকবরী -খাজা নিযামউদ্দীন আহমদ”